সত্যিকারের ভালবাসা পেতে চাইলে যে ১০টি বিষয় জানতেই হবে..
আজকাল সম্পর্ক না টেকা, পরিবারে অশান্তি কিংবা
ডিভোর্সের হার অনেক অনেক বেশী। এবং
প্রতিনিয়ত এই
সংখ্যাটি পাল্লা দিয়ে বাড়ছে, ফলে ভারী হয়ে
চলেছে আমাদের কষ্ট-হতাশার পাল্লাটাও।
ভালোবাসা
জিনিসটাকে যতটা সহজ মনে করি আমরা, আসলেই
কি ততটা সহজ। মনে হয় না! বরং মনোবিজ্ঞানীরা
মনে করেন দুটি
মানুষের মাঝে ভালোবাসার বন্ধন জগতের
অন্যতম জটিল সম্পর্ক।
আর এই জটিল সম্পর্কটির ব্যাপারে
আমরা অনেক কিছু ভাবি না,
চিন্তা করি না বলেই সম্পর্ককে
ধরে রাখতে পারি না।
সত্যিকারের ভালোবাসার জন্য
জীবনভর হাহাকার রয়ে যায় মনের
মাঝে। চলুন, আজ জেনে নিই এমন
১০টি চরম সত্য যা আপনার
জীবনটাকে পাল্টে দেবে। কেননা
এই সত্যগুলো জানিয়ে দেবে যে
জীবনে সত্যিকারের ভালোবাসা
চাইলে আসলে কী করতে হবে
আপনাকে।
১) যদি সঠিক মানুষটিকে খুঁজে
পেতে চান, তাহলে আগে
আপনাকে সঠিক মানুষ হয়ে উঠতে
হবে। নিজেকে শুধরে না নিয়ে,
নিজে একজন সঠিক মানুষ না হয়ে
কখনো আশা করবেন না যে
প্রিয়জনও “পারফেক্ট” হয়ে
যাবেন।
২) নিজেকে জানুন, নিজের
খারাপ দিকগুলোকে জানুন এবং
নিজেকে শুধরে নিন। নতুবা আজ
যিনি কাছে আছেন, কাল তিনি
দূরে চলে যেতে সময় নেবেন না।
যেমন ধরুন, আপনি পর্ণগ্রাফি
আসক্ত এবং একটি মেয়ের সাথে
আপনার প্রেম আছে। এই
মেয়েটিকে হয়তো আপনি খুব
ভালোবাসেন, কিন্তু পর্ণগ্রাফি
আসক্তি ছাড়তে না পারলে এই
মেয়েটি আপনাকে ছেড়ে চলে
যাবে নিশ্চিত।
৩) সত্যিকারের ভালোবাসা কোন
খেলা নয় এবং এটা কখনো
আপনাকে অসুখী করে না।
সত্যিকারের ভালোবাসায় মিথ্যা
বা ভণ্ডামির কোন স্থান নেই এবং
এর কারণে জীবনের কোন ক্ষতি
হয় না। যে ভালোবাসাটি
আপনাকে ভালো রাখবে, জানবেন
যে সেটিই সত্যিকারের।
৪) শুধু ভালোবাসায় শেষ
হয়ে যায় না। বরং সত্যিকারের
ভালোবাসা শুরু হয় পরস্পরকে
পাওয়ার মাধ্যমেই। নিজেদের
ব্যক্তিগত লক্ষ্য ও স্বপ্ন যেমন
থাকতে হয়, তেমনই থাকতে হয় জুটি
হিসাবে নিজেদের কিছু লক্ষ্য
স্বপ্ন। আর সেসব পূরণে দুজনকে
একসাথে কাজ করতে হয়।
৫)সত্যিকারের ভালোবাসা যে
কেবল মনের মানুষটিই আপনাকে
দিতে পারবেন, ব্যাপারটা এমন
নয়। নিজের পরিবার ও বন্ধুদের
কাছ থেকেও মেলে এই
ভালোবাসা। কেবল কেউ আপনার
পরিবার বলেই অন্যায় বা
অসম্মানকে মেনে নেবেন না।
কিংবা কেউ বন্ধু বলেই চুপ করে
থাকবেন না। জীবনে তাঁদেরকেই
স্থান দিন, যাদের উপস্থিতি
আপনাকে ভালো রাখে। বিপদের
দিনে যারা পাশে দাঁড়ান। সব
সম্পর্কের ক্ষেত্রেই এটা
প্রযোজ্য।
৬) কখনো এটা ভাববেন না যে
আপনার সম্পর্কগুলোর ওপরে
আপনার নিয়ন্ত্রণ নেই। দাম্পত্য
হোক, প্রেম হোক বা পরিবারের
সাথে সম্পর্ক- সব ক্ষেত্রেই
আপনার কিছু না কিছু করার
থাকে।, অন্তত সম্পর্কের উন্নয়ন বা
সম্পর্ক রক্ষার প্রথম চেষ্টা
আপনিই শুরু করতে পারেন।
৭)জীবনে সত্যিকারের
ভালোবাসা চাইলে নিজেকে
গুরুত্ব দিন। অন্যের জন্য করা
ভালো, কিন্তু অন্যের জন্য
নিজেকে বিলিয়ে দেবেন না।
প্রতিদিন বেশ খানিকটা সময়
কেবল নিজের সাথে কাটান।
নিজেকে জানুন, নিজেকে
ভালবাসুন, নিজের কাছ থেকে
নিশ্চিত হোন যে আসলে কী চান
আপনি। নিজেই নিজেকে
সবচাইতে বেশী ভালোবাসা
উপহার দিন।
৮)মনে রাখবেন, সত্যিকারের
ভালোবাসা কখনো আঘাত করে
না, আপনাকে দুমড়ে মুচড়ে
নিঃশেষ করে দেয় না।
সত্যিকারের ভালোবাসা
আপনাকে সামলে রাখে, জীবনে
চলার পথে শক্তি যোগায়। যে
সম্পর্ক এসব করে না, তাঁকে
সত্যিকারের ভেবে ভুল করবেন না।
৯) ভালোবাসা আমাদের কখনো
প্রিয় জিনিস কিংবা ভালো
লাগাকে স্যাক্রিফাইস করতে
বলে না। যে সম্পর্কটি আপনাকে
সম্পর্ক রক্ষার খাতিরে আপনাকে
ত্যাগ স্বীকার করতে বলে, সেটা
আর যাই হোক সত্যিকারের
ভালোবাসা নয়। এবং সেই সম্পর্ক
আপনাকে খুশিও রাখবে না।
১০) মনে রাখবেন যে সকল
ভালোবাসার ও ভালো থাকার
উৎস আপনি নিজেই। ভালোবাসা
দিন সঠিক মানুষদের, ভালোবাসা
ফিরে পাবেন। ভালোবাসা দিন
নিজের জীবনকে, নিজের খেয়াল
রাখুন। জীবনও আপনাকে
ভালোবাসা ফিরিয়ে দেবেন।
ডিভোর্সের হার অনেক অনেক বেশী। এবং
প্রতিনিয়ত এই
সংখ্যাটি পাল্লা দিয়ে বাড়ছে, ফলে ভারী হয়ে
চলেছে আমাদের কষ্ট-হতাশার পাল্লাটাও।
ভালোবাসা
জিনিসটাকে যতটা সহজ মনে করি আমরা, আসলেই
কি ততটা সহজ। মনে হয় না! বরং মনোবিজ্ঞানীরা
মনে করেন দুটি
মানুষের মাঝে ভালোবাসার বন্ধন জগতের
অন্যতম জটিল সম্পর্ক।
আর এই জটিল সম্পর্কটির ব্যাপারে
আমরা অনেক কিছু ভাবি না,
চিন্তা করি না বলেই সম্পর্ককে
ধরে রাখতে পারি না।
সত্যিকারের ভালোবাসার জন্য
জীবনভর হাহাকার রয়ে যায় মনের
মাঝে। চলুন, আজ জেনে নিই এমন
১০টি চরম সত্য যা আপনার
জীবনটাকে পাল্টে দেবে। কেননা
এই সত্যগুলো জানিয়ে দেবে যে
জীবনে সত্যিকারের ভালোবাসা
চাইলে আসলে কী করতে হবে
আপনাকে।
১) যদি সঠিক মানুষটিকে খুঁজে
পেতে চান, তাহলে আগে
আপনাকে সঠিক মানুষ হয়ে উঠতে
হবে। নিজেকে শুধরে না নিয়ে,
নিজে একজন সঠিক মানুষ না হয়ে
কখনো আশা করবেন না যে
প্রিয়জনও “পারফেক্ট” হয়ে
যাবেন।
২) নিজেকে জানুন, নিজের
খারাপ দিকগুলোকে জানুন এবং
নিজেকে শুধরে নিন। নতুবা আজ
যিনি কাছে আছেন, কাল তিনি
দূরে চলে যেতে সময় নেবেন না।
যেমন ধরুন, আপনি পর্ণগ্রাফি
আসক্ত এবং একটি মেয়ের সাথে
আপনার প্রেম আছে। এই
মেয়েটিকে হয়তো আপনি খুব
ভালোবাসেন, কিন্তু পর্ণগ্রাফি
আসক্তি ছাড়তে না পারলে এই
মেয়েটি আপনাকে ছেড়ে চলে
যাবে নিশ্চিত।
৩) সত্যিকারের ভালোবাসা কোন
খেলা নয় এবং এটা কখনো
আপনাকে অসুখী করে না।
সত্যিকারের ভালোবাসায় মিথ্যা
বা ভণ্ডামির কোন স্থান নেই এবং
এর কারণে জীবনের কোন ক্ষতি
হয় না। যে ভালোবাসাটি
আপনাকে ভালো রাখবে, জানবেন
যে সেটিই সত্যিকারের।
৪) শুধু ভালোবাসায় শেষ
হয়ে যায় না। বরং সত্যিকারের
ভালোবাসা শুরু হয় পরস্পরকে
পাওয়ার মাধ্যমেই। নিজেদের
ব্যক্তিগত লক্ষ্য ও স্বপ্ন যেমন
থাকতে হয়, তেমনই থাকতে হয় জুটি
হিসাবে নিজেদের কিছু লক্ষ্য
স্বপ্ন। আর সেসব পূরণে দুজনকে
একসাথে কাজ করতে হয়।
৫)সত্যিকারের ভালোবাসা যে
কেবল মনের মানুষটিই আপনাকে
দিতে পারবেন, ব্যাপারটা এমন
নয়। নিজের পরিবার ও বন্ধুদের
কাছ থেকেও মেলে এই
ভালোবাসা। কেবল কেউ আপনার
পরিবার বলেই অন্যায় বা
অসম্মানকে মেনে নেবেন না।
কিংবা কেউ বন্ধু বলেই চুপ করে
থাকবেন না। জীবনে তাঁদেরকেই
স্থান দিন, যাদের উপস্থিতি
আপনাকে ভালো রাখে। বিপদের
দিনে যারা পাশে দাঁড়ান। সব
সম্পর্কের ক্ষেত্রেই এটা
প্রযোজ্য।
৬) কখনো এটা ভাববেন না যে
আপনার সম্পর্কগুলোর ওপরে
আপনার নিয়ন্ত্রণ নেই। দাম্পত্য
হোক, প্রেম হোক বা পরিবারের
সাথে সম্পর্ক- সব ক্ষেত্রেই
আপনার কিছু না কিছু করার
থাকে।, অন্তত সম্পর্কের উন্নয়ন বা
সম্পর্ক রক্ষার প্রথম চেষ্টা
আপনিই শুরু করতে পারেন।
৭)জীবনে সত্যিকারের
ভালোবাসা চাইলে নিজেকে
গুরুত্ব দিন। অন্যের জন্য করা
ভালো, কিন্তু অন্যের জন্য
নিজেকে বিলিয়ে দেবেন না।
প্রতিদিন বেশ খানিকটা সময়
কেবল নিজের সাথে কাটান।
নিজেকে জানুন, নিজেকে
ভালবাসুন, নিজের কাছ থেকে
নিশ্চিত হোন যে আসলে কী চান
আপনি। নিজেই নিজেকে
সবচাইতে বেশী ভালোবাসা
উপহার দিন।
৮)মনে রাখবেন, সত্যিকারের
ভালোবাসা কখনো আঘাত করে
না, আপনাকে দুমড়ে মুচড়ে
নিঃশেষ করে দেয় না।
সত্যিকারের ভালোবাসা
আপনাকে সামলে রাখে, জীবনে
চলার পথে শক্তি যোগায়। যে
সম্পর্ক এসব করে না, তাঁকে
সত্যিকারের ভেবে ভুল করবেন না।
৯) ভালোবাসা আমাদের কখনো
প্রিয় জিনিস কিংবা ভালো
লাগাকে স্যাক্রিফাইস করতে
বলে না। যে সম্পর্কটি আপনাকে
সম্পর্ক রক্ষার খাতিরে আপনাকে
ত্যাগ স্বীকার করতে বলে, সেটা
আর যাই হোক সত্যিকারের
ভালোবাসা নয়। এবং সেই সম্পর্ক
আপনাকে খুশিও রাখবে না।
১০) মনে রাখবেন যে সকল
ভালোবাসার ও ভালো থাকার
উৎস আপনি নিজেই। ভালোবাসা
দিন সঠিক মানুষদের, ভালোবাসা
ফিরে পাবেন। ভালোবাসা দিন
নিজের জীবনকে, নিজের খেয়াল
রাখুন। জীবনও আপনাকে
ভালোবাসা ফিরিয়ে দেবেন।
Leave a Comment