[বিউটি টিপস] তৈলাক্ত ত্বক থেকে মুক্তি পেতে যে খাবারগুলো এড়িয়ে যাবেন!
অধিকাংশ মানুষের মাঝে ত্বকের সমস্যা বলতেই
প্রথমে উঠে
আসে তৈলাক্ত ত্বকের কথা। বিভিন্ন সময় বিভিন্ন
কারণে এই
সমস্যার প্রকোপে পড়ে থাকেন অনেকে।
এর থেকে বাঁচার জন্য
বিভিন্ন উপায়ও রয়েছে। তবে খাদ্যতালিকা
থেকে যে সকল
খাবার ত্যাগ করলে আপনার সমস্যার সমাধান হতে
পারে, তা
নিয়ে আজ আলোচনা করা হল-
১. গরুর মাংস:
গরুর মাংস দিয়ে তৈরি বিভিন্ন খাবারে প্রচুর পরিমাণে
সম্পৃক্ত চর্বি থাকে। যা আমাদের ওজন বৃদ্ধি
করতে পারে,
হৃদরোগের কারণ হয়ে দাড়াতে পারে এবং
অনাক্রম্যতা বৃদ্ধি
করতে পারে। অন্য সকল খাবারের তুলনায় এটি
আমাদের
ত্বকের অনেক বেশি ক্ষতি করে। এগুলো
ভেঁজে খাবার ফলে
অতিরিক্ত তেল এতে যুক্ত হয়। তাই মাংস ফ্রাই
করে খাওয়া থেকে বিরত থাকুন। এতে আপনার
ত্বকের তৈলাক্ত ভাব কমে
যাবে।
২. দুগ্ধজাত খাবার:
প্রতিদিন নিয়মিত দুগ্ধজাত খাবার খাওয়ার ফলে এটি
আমাদের ত্বকে ব্রণের সৃষ্টি করতে পারে।
ক্যালসিয়ামের
জন্য এর পরিবর্তে বিভিন্ন শাকসবজি খেতে
পারেন।
এছাড়াও পনির খেয়ে শরীরের ক্যালসিয়ামের
চাহিদা
মেটাতে পারেন।
৩. অতিরিক্ত চিনি:
বিভিন্ন ধরণের খাবারে অতিরিক্ত চিনি ব্যবহার করা
হয়।
এর ফলে আমাদের ওজন বাড়ার পাশাপাশি রক্তচাপ ও
হৃৎপিণ্ডে ক্ষতিকর প্রভাব ফেলতে পারে।
রক্তচাপ ও
হরমনের অসামঞ্জস্যতা থাকার ফলে ত্বক
তৈলাক্ত হয়ে যায়।
তাই, এই থেকে রেহাই পাবার জন্য অতিরিক্ত চিনি
খাওয়া
পরিহার করুন।
৪. অতিরিক্ত লবণ:
যে খাদ্য তালিকায় প্রচুর পরিমাণে সোডিয়াম থাকে
তা
স্বাস্থ্যের জন্য অনেক ক্ষতিকর। এতে প্রচুর
পরিমাণে ফ্যাট
এর সৃষ্টি হয় এবং ত্বক তৈলাক্ত হয়। তাই অতিরিক্ত
লবণ
খাওয়া পরিহার করুন।
৫. ময়দা:
ময়দায় ফাইবার কন্টেন্ট থাকার ফলে এটি অনেক
স্বাস্থ্যকর। কিন্তু ফাইবার সমৃদ্ধ খাবার দেরি করে
হজম
হবার ফলে এটি শরীরে তেল উৎপাদন করে।
ময়দার তৈরি
খাবার খাওয়া স্বাস্থ্যকর হলেও তা অল্প পরিমাণে
গ্রহণ
করা ভাল। বেশি পরিমাণে গ্রহণ করলে এটি
ত্বকে তৈলাক্ত
ভাব বজায় রাখবে।
প্রথমে উঠে
আসে তৈলাক্ত ত্বকের কথা। বিভিন্ন সময় বিভিন্ন
কারণে এই
সমস্যার প্রকোপে পড়ে থাকেন অনেকে।
এর থেকে বাঁচার জন্য
বিভিন্ন উপায়ও রয়েছে। তবে খাদ্যতালিকা
থেকে যে সকল
খাবার ত্যাগ করলে আপনার সমস্যার সমাধান হতে
পারে, তা
নিয়ে আজ আলোচনা করা হল-
১. গরুর মাংস:
গরুর মাংস দিয়ে তৈরি বিভিন্ন খাবারে প্রচুর পরিমাণে
সম্পৃক্ত চর্বি থাকে। যা আমাদের ওজন বৃদ্ধি
করতে পারে,
হৃদরোগের কারণ হয়ে দাড়াতে পারে এবং
অনাক্রম্যতা বৃদ্ধি
করতে পারে। অন্য সকল খাবারের তুলনায় এটি
আমাদের
ত্বকের অনেক বেশি ক্ষতি করে। এগুলো
ভেঁজে খাবার ফলে
অতিরিক্ত তেল এতে যুক্ত হয়। তাই মাংস ফ্রাই
করে খাওয়া থেকে বিরত থাকুন। এতে আপনার
ত্বকের তৈলাক্ত ভাব কমে
যাবে।
২. দুগ্ধজাত খাবার:
প্রতিদিন নিয়মিত দুগ্ধজাত খাবার খাওয়ার ফলে এটি
আমাদের ত্বকে ব্রণের সৃষ্টি করতে পারে।
ক্যালসিয়ামের
জন্য এর পরিবর্তে বিভিন্ন শাকসবজি খেতে
পারেন।
এছাড়াও পনির খেয়ে শরীরের ক্যালসিয়ামের
চাহিদা
মেটাতে পারেন।
৩. অতিরিক্ত চিনি:
বিভিন্ন ধরণের খাবারে অতিরিক্ত চিনি ব্যবহার করা
হয়।
এর ফলে আমাদের ওজন বাড়ার পাশাপাশি রক্তচাপ ও
হৃৎপিণ্ডে ক্ষতিকর প্রভাব ফেলতে পারে।
রক্তচাপ ও
হরমনের অসামঞ্জস্যতা থাকার ফলে ত্বক
তৈলাক্ত হয়ে যায়।
তাই, এই থেকে রেহাই পাবার জন্য অতিরিক্ত চিনি
খাওয়া
পরিহার করুন।
৪. অতিরিক্ত লবণ:
যে খাদ্য তালিকায় প্রচুর পরিমাণে সোডিয়াম থাকে
তা
স্বাস্থ্যের জন্য অনেক ক্ষতিকর। এতে প্রচুর
পরিমাণে ফ্যাট
এর সৃষ্টি হয় এবং ত্বক তৈলাক্ত হয়। তাই অতিরিক্ত
লবণ
খাওয়া পরিহার করুন।
৫. ময়দা:
ময়দায় ফাইবার কন্টেন্ট থাকার ফলে এটি অনেক
স্বাস্থ্যকর। কিন্তু ফাইবার সমৃদ্ধ খাবার দেরি করে
হজম
হবার ফলে এটি শরীরে তেল উৎপাদন করে।
ময়দার তৈরি
খাবার খাওয়া স্বাস্থ্যকর হলেও তা অল্প পরিমাণে
গ্রহণ
করা ভাল। বেশি পরিমাণে গ্রহণ করলে এটি
ত্বকে তৈলাক্ত
ভাব বজায় রাখবে।
Leave a Comment