প্রেমের মাঝে যে কথা গুলোতে শুরু হতে পারে সম্পর্কের ভাংগন।
সম্পর্কে থাকলে ঝগড়া হওয়া খুবই স্বাভাবিক
একটি ব্যাপার। কথায় বলে দুটি পাতিল
পাশাপাশি থাকলে একটু ঠোকাঠুকি
লাগবেই। আসলেই তাই। কিছু ক্ষেত্রে
অল্পতেই
শুরু হয়ে যায় ঝগড়া জুটিদের মধ্যে। কোনো
কোনো সময়ে সামান্য ঝগড়া থেকেই
দূরত্বের
সৃষ্টি হয়। তাই ঝগড়ায় প্রেম বাড়ে কথাটি
পুরোপুরি সত্য নয়। ঝগড়া বড় আকার ধারণ করার
আগেই তা দুপক্ষ থেকে মিটমাট করে ফেলা
জরুরী। এর চাইতেও বেশী জরুরী কোন
কথা
থেকে দুজনের মধ্যে ঝগড়া শুরু হয় তা বুঝে
সে
কথাগুলো এড়িয়ে চলা। এতে ঝগড়া বড় আকার
ধারণ করার সম্ভাবনা কমে এবং সম্পর্কে
টানাপোড়নের সৃষ্টি হয় না।
১) ‘আমি যা বলবো সেটাই হবে’
সম্পর্ক দুজন দিয়ে তৈরি হয়, তাই এই সম্পর্ককে
এগিয়ে নিয়ে যেতেও দুজনকেই লাগে। যদি
দুজনের মধ্যে একজন বলে বসেন, ‘আমি যা
বলবো
সেটাই সঠিক, সেটাই মেনে নিতে হবে’
তাহলে সঙ্গীর মেজাজ ঠিক রাখা একটু কষ্টই
হয়। আর এ থেকেই সূচনা হয় ঝগড়ার। এর চাইতে
নিজের কথা বুঝিয়ে মানিয়ে নেয়াই
বুদ্ধিমানের কাজ।
২) ‘কিছুই না’ বা ‘তোমার কিছুই জানতে হবে
না’
এই কথা থেকে ঝগড়ার সূত্রপাত এইজন্যই হয়
যে এই
কথা বললে সঙ্গীকে একটু হলেও
তুচ্ছতাচ্ছিল্য
করা হয়। কিছু না বললেও সঙ্গী মনে করেন তার
কাছ থেকে কথা লুকোনো হচ্ছে আবার কিছুই
জানতে হবে না বললে তো কথাই নেই, তুমুল
ঝগড়া শুরু হয়ে যায় মুহূর্তের মধ্যে। সুতরাং এই
কথাগুলো থেকে সাবধান।
৩) ‘যা মনে চায় করো’
এই কথাটি যে-ই বলে থাকুক না কেন এখানে
সঙ্গী মনে করবেন তার মতামতকে
একেবারেই
অবহেলা করা হচ্ছে। মতামত দিয়েছেন কিন্তু
তার পর যদি এই কথা শোনেন তাহলে অবশ্যই
রাগ লাগার কথা। আর তা থেকেই আসে পাল্টা
জবাব, এর থেকেই ঘটে যায় মনোমালিন্য এবং
সূচনা হয় ঝগড়ার।
৪) ‘আমি কেন করবো’
হয়তো কোনো সমস্যাই নয় এমন একটি
ব্যাপারে যদি সঙ্গী হুট করে বলে বসেন আমি
এটা কেন করবো তখন থেকেই ঝগড়া শুরু হয়ে
যেতে পারে মুহূর্তের মধ্যে। কারণ সঙ্গী
নিশ্চয়ই কোনো সঙ্গত কারণেই বলেছেন।
আপনি যদি নিজেকে জাহির করার জন্য উলটো
প্রশ্ন করে বলেন কেন করবো তাহলে
সঙ্গীর কষ্ট
লাগতেই পারে।
৫) ‘তোমাকে দিয়ে কিছুই সম্ভব না’
আপনি হয়তো মজা করেই কথাটি বলেছেন,
কিন্তু কথাটি বলে সঙ্গীকে এক প্রকার
তুচ্ছতাচ্ছিল্যও করা হয়ে যায়। যদি সঙ্গী
আসলেও কিছু না পারেন তাহলেও তাকে
কখনো
বলা উচিত নয় এই কথাটি। সঙ্গী নিজে কষ্টও
পেলে হয়তো আওনাকে উলটে কোনো
জবাব
দিয়ে দেবেন যা আপনার পছন্দ হবে না।
একটি ব্যাপার। কথায় বলে দুটি পাতিল
পাশাপাশি থাকলে একটু ঠোকাঠুকি
লাগবেই। আসলেই তাই। কিছু ক্ষেত্রে
অল্পতেই
শুরু হয়ে যায় ঝগড়া জুটিদের মধ্যে। কোনো
কোনো সময়ে সামান্য ঝগড়া থেকেই
দূরত্বের
সৃষ্টি হয়। তাই ঝগড়ায় প্রেম বাড়ে কথাটি
পুরোপুরি সত্য নয়। ঝগড়া বড় আকার ধারণ করার
আগেই তা দুপক্ষ থেকে মিটমাট করে ফেলা
জরুরী। এর চাইতেও বেশী জরুরী কোন
কথা
থেকে দুজনের মধ্যে ঝগড়া শুরু হয় তা বুঝে
সে
কথাগুলো এড়িয়ে চলা। এতে ঝগড়া বড় আকার
ধারণ করার সম্ভাবনা কমে এবং সম্পর্কে
টানাপোড়নের সৃষ্টি হয় না।
১) ‘আমি যা বলবো সেটাই হবে’
সম্পর্ক দুজন দিয়ে তৈরি হয়, তাই এই সম্পর্ককে
এগিয়ে নিয়ে যেতেও দুজনকেই লাগে। যদি
দুজনের মধ্যে একজন বলে বসেন, ‘আমি যা
বলবো
সেটাই সঠিক, সেটাই মেনে নিতে হবে’
তাহলে সঙ্গীর মেজাজ ঠিক রাখা একটু কষ্টই
হয়। আর এ থেকেই সূচনা হয় ঝগড়ার। এর চাইতে
নিজের কথা বুঝিয়ে মানিয়ে নেয়াই
বুদ্ধিমানের কাজ।
২) ‘কিছুই না’ বা ‘তোমার কিছুই জানতে হবে
না’
এই কথা থেকে ঝগড়ার সূত্রপাত এইজন্যই হয়
যে এই
কথা বললে সঙ্গীকে একটু হলেও
তুচ্ছতাচ্ছিল্য
করা হয়। কিছু না বললেও সঙ্গী মনে করেন তার
কাছ থেকে কথা লুকোনো হচ্ছে আবার কিছুই
জানতে হবে না বললে তো কথাই নেই, তুমুল
ঝগড়া শুরু হয়ে যায় মুহূর্তের মধ্যে। সুতরাং এই
কথাগুলো থেকে সাবধান।
৩) ‘যা মনে চায় করো’
এই কথাটি যে-ই বলে থাকুক না কেন এখানে
সঙ্গী মনে করবেন তার মতামতকে
একেবারেই
অবহেলা করা হচ্ছে। মতামত দিয়েছেন কিন্তু
তার পর যদি এই কথা শোনেন তাহলে অবশ্যই
রাগ লাগার কথা। আর তা থেকেই আসে পাল্টা
জবাব, এর থেকেই ঘটে যায় মনোমালিন্য এবং
সূচনা হয় ঝগড়ার।
৪) ‘আমি কেন করবো’
হয়তো কোনো সমস্যাই নয় এমন একটি
ব্যাপারে যদি সঙ্গী হুট করে বলে বসেন আমি
এটা কেন করবো তখন থেকেই ঝগড়া শুরু হয়ে
যেতে পারে মুহূর্তের মধ্যে। কারণ সঙ্গী
নিশ্চয়ই কোনো সঙ্গত কারণেই বলেছেন।
আপনি যদি নিজেকে জাহির করার জন্য উলটো
প্রশ্ন করে বলেন কেন করবো তাহলে
সঙ্গীর কষ্ট
লাগতেই পারে।
৫) ‘তোমাকে দিয়ে কিছুই সম্ভব না’
আপনি হয়তো মজা করেই কথাটি বলেছেন,
কিন্তু কথাটি বলে সঙ্গীকে এক প্রকার
তুচ্ছতাচ্ছিল্যও করা হয়ে যায়। যদি সঙ্গী
আসলেও কিছু না পারেন তাহলেও তাকে
কখনো
বলা উচিত নয় এই কথাটি। সঙ্গী নিজে কষ্টও
পেলে হয়তো আওনাকে উলটে কোনো
জবাব
দিয়ে দেবেন যা আপনার পছন্দ হবে না।
Leave a Comment