[Beauty Tips]যে অভ্যাসগুলো আপনাকে ব্রণমুক্তরাখবে
ব্রণ নিয়ে ভোগান্তিতে পরে হয় কম
বেশি সবারই। ব্রণ সমস্যার সমাধান
খুঁজতে এলোপ্যাথি, হোমিওপ্যাথি,
আয়ুর্বেদিক
কোন কিছুই বাদ পরে না। কিন্তু শেষ পর্যন্ত
হতাশ হয়ে ঘরে বসেই বিভিন্ন পদ্ধতি
প্রয়োগ
করে অনেকে। কিন্তু কয়দিন সেটা ধৈর্য্য
ধরে কয়দিন ট্রাই করেন আপনি? ৩/৪ দিন
বড়জোর এক সপ্তাহ। তারপর হাল
ছেড়ে দিয়ে আবার যান এলোপ্যাথি
ডক্টরের
কাছে। কিন্তু বাসায় বসে খুব সহজেই ব্রণ
দূর
করা যায়। তার জন্য দরকার একটু ধৈর্য্য।
একটুচেষ্টা করলেই দেখবেন আপনার
মুখকোমল আর মসৃণ হয়ে উঠেছে। যারা ব্রণ
নিয়ে এরকম সমস্যায় ভুগছেনতাদের জন্য
কিছু
সহজ টিপস্ নিয়ে উর্বশীর এ লিখা।
ব্রণ দূর করতে যা করতে হবেঃ
▶ ঘুমানোর অভ্যাসঃ সবচেয়ে জরুরী হল
প্রতিদিন
রাতে তাড়াতাড়ি ঘুমাতে যেতে হবে এবং
সকালে তাড়াতাড়ি উঠতে হবে।
কারণ রাত জাগলেও মুখে ব্রণ উঠে। তাই
প্রতিদিন
রাত ১১/১২ মাঝে ঘুমতেযাবেন এবং ৬/৭ টার
মাঝে উঠে পরবেন।
▶ মুখ ধোয়াঃ তৈলাক্ত ত্বকে ব্রণ বেশি
হয়।
তার
জন্য মুখটাকে সব সময় পরিষ্কার রাখতে
হবে।
প্রতিদিন কমপক্ষে দুবার মুখ পরিষ্কার
করবেন।
মুখ ধোয়ার সময়হালকা গরম পানি এবং
নর্মাল
ফেসওয়াস ব্যবহার করবেন। সপ্তাহে একদিন
স্ক্রাব ফেসওয়াস দিয়ে মুখ
আলতো করে ম্যাসাজ করে পরিষ্কার
করবেন।
▶ খাদ্যাভাসঃ আমাদের
প্রতিদিনেরনানা খাবার এর
কারণেও ব্রণ উঠে। অতিরিক্ত
পরিমাণে তৈলাক্ত
খাবার, ভাজাপোড়া এবং চর্বিযুক্ত খাবার
ত্বকে ব্রণ
উঠার জন্য দায়ী। চকোলেটও ব্রণ উঠার
পরিমাণ
বাড়িয়ে দেয়। তাই এসকল খাবার যতটা
সম্ভব কম
খাওয়ার চেষ্টা করুন পারলে পরিহার করুন।
▶ মানসিক চাপ কমানোঃ মানসিক চাপের
কারণেও
ত্বকে ব্রণ উঠে। অতিরিক্ত মানসিক চাপ
শরীরে হরমোনের ভারসাম্য নষ্ট করে ব্রণ
সমস্যার সৃষ্টি করে। তাই প্রতিদিন
কমপক্ষে ২০
মিনিট ইয়োগা এবং মেডিটেশন করুন।
এতে আপনার মনে প্রশান্তি আসবে এবং
মানসিক
চাপ কমে যাবে।
▶ মুখে হাত দিবেন নাঃ আমরা অনেক সময়
নিজের
অজান্তে ব্রণে হাত দেই এবং খুঁটাখুঁটি
করি।
এতে করে ব্রণের পরিমাণ বেড়ে যায়।
কারণ
ব্রণের ভিতরের রস বের
হয়ে হাতে লেগে যায় এবং তা ত্বকের অন্য
জায়গায় লেগে সেখানেও ব্রণউঠা শুরু
করে।
ব্রণ খুঁটানোও উচিৎ না এতে করে কালো
দাগ
পরে যায়।
▶ মেকআপ উঠানোঃ মেকআপ উঠানোর
সময়খেয়াল রাখবেন মেকআপটা যেন
ঠিকভাবে তোলা হয়। কখনই মেকআপ
নিয়ে ঘুমোতে যাবেন না। এতে ব্রণ উঠার
সম্ভাবনা বেড়ে যায়। মেকআপ কেনার সময়
খেয়াল রাখবেন তা যেন নন-অ্যালার
বেশি সবারই। ব্রণ সমস্যার সমাধান
খুঁজতে এলোপ্যাথি, হোমিওপ্যাথি,
আয়ুর্বেদিক
কোন কিছুই বাদ পরে না। কিন্তু শেষ পর্যন্ত
হতাশ হয়ে ঘরে বসেই বিভিন্ন পদ্ধতি
প্রয়োগ
করে অনেকে। কিন্তু কয়দিন সেটা ধৈর্য্য
ধরে কয়দিন ট্রাই করেন আপনি? ৩/৪ দিন
বড়জোর এক সপ্তাহ। তারপর হাল
ছেড়ে দিয়ে আবার যান এলোপ্যাথি
ডক্টরের
কাছে। কিন্তু বাসায় বসে খুব সহজেই ব্রণ
দূর
করা যায়। তার জন্য দরকার একটু ধৈর্য্য।
একটুচেষ্টা করলেই দেখবেন আপনার
মুখকোমল আর মসৃণ হয়ে উঠেছে। যারা ব্রণ
নিয়ে এরকম সমস্যায় ভুগছেনতাদের জন্য
কিছু
সহজ টিপস্ নিয়ে উর্বশীর এ লিখা।
ব্রণ দূর করতে যা করতে হবেঃ
▶ ঘুমানোর অভ্যাসঃ সবচেয়ে জরুরী হল
প্রতিদিন
রাতে তাড়াতাড়ি ঘুমাতে যেতে হবে এবং
সকালে তাড়াতাড়ি উঠতে হবে।
কারণ রাত জাগলেও মুখে ব্রণ উঠে। তাই
প্রতিদিন
রাত ১১/১২ মাঝে ঘুমতেযাবেন এবং ৬/৭ টার
মাঝে উঠে পরবেন।
▶ মুখ ধোয়াঃ তৈলাক্ত ত্বকে ব্রণ বেশি
হয়।
তার
জন্য মুখটাকে সব সময় পরিষ্কার রাখতে
হবে।
প্রতিদিন কমপক্ষে দুবার মুখ পরিষ্কার
করবেন।
মুখ ধোয়ার সময়হালকা গরম পানি এবং
নর্মাল
ফেসওয়াস ব্যবহার করবেন। সপ্তাহে একদিন
স্ক্রাব ফেসওয়াস দিয়ে মুখ
আলতো করে ম্যাসাজ করে পরিষ্কার
করবেন।
▶ খাদ্যাভাসঃ আমাদের
প্রতিদিনেরনানা খাবার এর
কারণেও ব্রণ উঠে। অতিরিক্ত
পরিমাণে তৈলাক্ত
খাবার, ভাজাপোড়া এবং চর্বিযুক্ত খাবার
ত্বকে ব্রণ
উঠার জন্য দায়ী। চকোলেটও ব্রণ উঠার
পরিমাণ
বাড়িয়ে দেয়। তাই এসকল খাবার যতটা
সম্ভব কম
খাওয়ার চেষ্টা করুন পারলে পরিহার করুন।
▶ মানসিক চাপ কমানোঃ মানসিক চাপের
কারণেও
ত্বকে ব্রণ উঠে। অতিরিক্ত মানসিক চাপ
শরীরে হরমোনের ভারসাম্য নষ্ট করে ব্রণ
সমস্যার সৃষ্টি করে। তাই প্রতিদিন
কমপক্ষে ২০
মিনিট ইয়োগা এবং মেডিটেশন করুন।
এতে আপনার মনে প্রশান্তি আসবে এবং
মানসিক
চাপ কমে যাবে।
▶ মুখে হাত দিবেন নাঃ আমরা অনেক সময়
নিজের
অজান্তে ব্রণে হাত দেই এবং খুঁটাখুঁটি
করি।
এতে করে ব্রণের পরিমাণ বেড়ে যায়।
কারণ
ব্রণের ভিতরের রস বের
হয়ে হাতে লেগে যায় এবং তা ত্বকের অন্য
জায়গায় লেগে সেখানেও ব্রণউঠা শুরু
করে।
ব্রণ খুঁটানোও উচিৎ না এতে করে কালো
দাগ
পরে যায়।
▶ মেকআপ উঠানোঃ মেকআপ উঠানোর
সময়খেয়াল রাখবেন মেকআপটা যেন
ঠিকভাবে তোলা হয়। কখনই মেকআপ
নিয়ে ঘুমোতে যাবেন না। এতে ব্রণ উঠার
সম্ভাবনা বেড়ে যায়। মেকআপ কেনার সময়
খেয়াল রাখবেন তা যেন নন-অ্যালার
Leave a Comment