মেয়েদের যে সব ফাঁদে পুরুষ পা দেয

মহিলারাছলনাময়ী। বলেন পুরুষরা। আবার
সেই ছলনায় পাও গলান ছেলেরা। সেটা সত্যিই
রহস্য। কিন্তু কেন ছেলেরা এড়িয়ে যেতে
পারেন না ওই সব ফাঁদ?
সত্যিই কি মহিলারা কিছু বিশেষ ছলনায় প্ররোচিত
করেন পুরুষদের? আটকে ফেলেন ফাঁদে?
কী কী সেই ফাঁদ—
১। মেয়েরা জানে একজন পুরুষকে ফাঁদে
ফেলার জন্য দু’ফোঁটা চোখের জলই
পর্যাপ্ত। একটু বেশি হলে তো কথাই নেই।
খুব কঠিন পুরুষও গলে জল হয়ে যান। নারীর
চোখের জলকে অবহেলা করতে পারেন
না।
২। দ্বিতীয় পথটাকে এক কথায় বলা যায়,
‘ইমোশনাল অত্যাচার’। একজন নারী নানা
ইমোশনাল কায়দায় খুব সহজেই একজন
পুরুষকে ফাঁদে ফেলতে পারেন। একবার
সেই অত্যাচারের শিকার হলে আর ভালমন্দ বিচার
করার ক্ষমতাই থাকে না।
৩। নারীর রূপ, নারীর সবথেকে বড় মূলধন।
একজন পুরুষের মন ভোলাতে এর চেয়ে
ভাল অস্ত্র আর কী হতে পারে? সুন্দরী
নারীর রূপের ফাঁদে পা দেবেন না এমন
পুরুষের সংখ্যা হাতে গুণে বলা যায়। অতটা মানসিক
শক্তি খুব কম পুরুষেরই থাকে।
৪। পুরুষের মন পর্যন্ত পৌঁছানোর অন্যতম
প্রধান পথ হল ‘পেট’। পেট হয়ে মন ছোঁয়া
কঠিন নয়। আর অনেক পুরুষই নারীর এই ফাঁদে
পা দিয়ে ফেলেন। একবার ফাঁদে পড়লে আর
বের হতে পারেন না। শেষটা কোথায় তা
জানতেও পারেন না।
৫। মোক্ষম ফাঁদটি হল সরাসরি যৌনতার লোভ
দেখানো। একটু ইঙ্গিতময় কথাবার্তা, একটু হাসি-
ঠাট্টা ফাঁদে ফেলার জন্য মোক্ষম দাওয়াই।
সে আবেদন অগ্রাহ্য করতে পারেন না
অধিকাংশ পুরুষই।

কোন মন্তব্য নেই

Blogger দ্বারা পরিচালিত.